Skip to content
Khataby Lacspace
স্টক ও টাকা

নগদ আর অনলাইন: দুটো পথ, একটাই হিসাব

ফোনে টাকা এল না বাক্সে এল — খদ্দেরের কাছে এক, আপনার হিসাবে নয়। দুটো আলাদা করে না লিখলে রোজ মনে হবে টাকা কম পড়ছে।

5 মিনিটের পড়া

ঢোকার দুই পথ, যোগ একঢোকার দুই পথ, যোগ এক৩২০০নগদ৫১০০অনলাইন৮৩০০একই যোগ

সংক্ষেপে

  • প্রতিটা বিক্রিতে লিখুন টাকাটা কীভাবে এসেছে — নগদ, অনলাইন, নাকি ধার।
  • অনলাইনের টাকা বাক্সে নেই, তাই দিনের গণনায় সেটা বাদ যাবে।
  • ফোনের নোটিফিকেশন হিসাব নয়। বিক্রির সঙ্গে সেটা মিলিয়ে দেখা দরকার।
  • একটাই মোট, কিন্তু দুটো পথ। পথ না লিখলে মোটটাও মেলে না।

দশ বছর আগে দোকানের হিসাব সহজ ছিল — যা বিক্রি হয়েছে তা বাক্সে আছে। এখন বিক্রির অর্ধেক ফোনে আসে, আর বাক্সে গুনে আর দিনের হিসাব হয় না।

এতে যে সমস্যাটা তৈরি হয় সেটা টাকা হারানোর নয়, বিভ্রান্তির। দিনের শেষে বাক্স গুনে মনে হয় বিক্রি কম হয়েছে, অথচ হয়নি — টাকাটা অন্য পথে এসেছে।

মোট একটাই। কিন্তু কোন পথে কত এল, সেটা না লিখলে মোটটা যাচাই করা যায় না।দুটো ঘর থেকে টাকা এসে একটা মোট হচ্ছে।ঢোকার দুই পথ, যোগ এক৩২০০নগদ৫১০০অনলাইন৮৩০০একই যোগ
মোট একটাই। কিন্তু কোন পথে কত এল, সেটা না লিখলে মোটটা যাচাই করা যায় না।

বিলের সময়েই লিখুন

টাকা কীভাবে এসেছে সেটা বিল করার সময়েই লেখা সবচেয়ে সহজ, কারণ তখন আপনি জানেন। দিনের শেষে চল্লিশটা বিলের কোনটা নগদ ছিল সেটা কেউ মনে রাখতে পারে না।

  • নগদ — বাক্সে ঢুকেছে, দিনের গণনায় থাকবে।
  • অনলাইন — ব্যাঙ্কে ঢুকেছে, বাক্সে নেই।
  • ধার — এখনো কোথাও ঢোকেনি, খদ্দেরের খাতায় গেছে।

এই তিনটে ভাগই যথেষ্ট। এর বেশি ভাগ করলে বিল করতে সময় লাগে, আর ব্যস্ত সময়ে সেটাই কাজটা বন্ধ করে দেয়।

নোটিফিকেশন হিসাব নয়

ফোনে টাকা আসার বার্তা এলেই অনেকে ধরে নেন কাজ শেষ। কিন্তু ওই বার্তা শুধু বলে যে টাকা এসেছে — কার কাছ থেকে, কোন বিলের জন্য, পুরোটা না কিছুটা, সেটা বলে না।

মাসের শেষে কী দেখবেন

মাসের শেষে দেখুন মোট বিক্রির কত অংশ কোন পথে এসেছে। এই ভাগটা ধীরে ধীরে বদলায়, আর সেটা জানা কাজে লাগে — যদি অনলাইন বাড়তে থাকে, তাহলে বাক্সে কম নগদ রাখলেই চলে, আর খুচরোর ঝামেলাও কমে।

সাধারণ প্রশ্ন

অনলাইনের টাকা তো ব্যাঙ্কে দেখা যায়, আলাদা লেখার দরকার কী?

ব্যাঙ্কে দেখা যায় মোট কত ঢুকেছে, কিন্তু কোন বিক্রির জন্য ঢুকেছে সেটা দেখা যায় না। যখন কোনো খদ্দের বলেন তিনি টাকা পাঠিয়েছেন, তখন ব্যাঙ্কের তালিকায় খুঁজে বার করা কঠিন — বিশেষ করে যদি দিনে চল্লিশটা লেনদেন হয়। বিক্রির সঙ্গে লেখা থাকলে প্রশ্নটা সঙ্গে সঙ্গে মেটে।

ভুল করে অনলাইনের টাকা নগদ লিখে ফেললে?

সেদিনের গণনায় ধরা পড়বে — বাক্সে টাকা কম দেখাবে, ঠিক ওই অঙ্কটাই। এটাই রোজ মেলানোর একটা বড় লাভ: ভুলটা সেদিনই ধরা পড়ে, যখন কী হয়েছিল মনে আছে।

খদ্দের অর্ধেক নগদ অর্ধেক অনলাইনে দিলে?

এটা খুব সাধারণ, বিশেষ করে বড় কেনাকাটায়। দুটো অংশ আলাদা করে লিখুন। একটা বিলে দুরকম টাকা আসা কোনো সমস্যা নয়, কিন্তু পুরোটা এক ধরনে লিখে দিলে দিনের হিসাব মিলবে না।

খাতা অ্যাপ বিনামূল্যে

বিলিং, ধারের খাতা, স্টক আর রিপোর্ট — সবই আপনার ফোনে। কার্ড লাগে না, বাতিল করার কিছু নেই।

কী কী পাবেন দেখুন

ইউপিআইনগদহিসাবদোকান

এরপর পড়ুন

সব লেখা