Skip to content
Khataby Lacspace
কর্মী

কর্মচারীকে কতটা দেখাবেন

কাজ চলার জন্য যতটা দরকার, ততটাই। বেশি দিলে ঝুঁকি, কম দিলে প্রতিটা কাজে আপনাকে ডাকতে হয়।

5 মিনিটের পড়া

কাজ চলার মতো ততটুকুই দিনকাজ চলার মতো ততটুকুই দিনমালিকসব দেখেকর্মচারীশুধু বিল

সংক্ষেপে

  • কর্মচারীকে সেই কাজটুকু করতে দিন যেটা তার করার কথা — তার বেশি নয়।
  • বিল করা আর লাভের হিসাব দেখা এক জিনিস নয়।
  • নিয়মটা সবার জন্য এক রাখুন। ব্যক্তি দেখে ঠিক করলে সেটা অবিশ্বাসের মতো দেখায়।
  • কেউ কাজ ছাড়লে সেদিনই তার হাত সরান — পরে করব বললে হয় না।

একজন কর্মচারী রাখার পর প্রথম যে প্রশ্নটা আসে সেটা হল — সে কী কী করতে পারবে। বেশিরভাগ দোকানে এই প্রশ্নের উত্তর দেওয়া হয় না, শুধু ফোনটা দিয়ে দেওয়া হয়।

সমস্যাটা তখন হয় না, পরে হয়। ছ মাস পরে যখন হিসাবে গণ্ডগোল দেখা যায়, তখন পাঁচজনের কেউই আলাদা করে দায়ী নয়, কারণ সবাই সব কিছু করতে পারত।

মালিক সব দেখেন। কর্মচারী যা দরকার তাই দেখেন। ফারাকটা অবিশ্বাস নয়, ব্যবস্থা।দুটো কার্ড — একটায় সব লাইন খোলা, অন্যটায় একটা।কাজ চলার মতো ততটুকুই দিনমালিকসব দেখেকর্মচারীশুধু বিল
মালিক সব দেখেন। কর্মচারী যা দরকার তাই দেখেন। ফারাকটা অবিশ্বাস নয়, ব্যবস্থা।

সহজ ভাগ

বেশিরভাগ ছোট দোকানের জন্য দুটো স্তরই যথেষ্ট।

কাজকর্মচারীমালিক
বিল করাহ্যাঁহ্যাঁ
খদ্দেরের ধার লেখাহ্যাঁহ্যাঁ
মালের কেনা দাম দেখানাহ্যাঁ
দাম বদলানোনাহ্যাঁ
পুরনো বিল মুছে দেওয়ানাহ্যাঁ
মাসের হিসাব দেখানাহ্যাঁ

এই তালিকায় সবচেয়ে জরুরি লাইনটা হল কেনা দাম। কেনা দাম জানা মানে আপনার লাভ জানা, আর সেটা দোকানের সবচেয়ে ব্যক্তিগত তথ্য — শুধু চুরির কারণে নয়, কথা ছড়ানোর কারণেও।

নিয়ম আগে বলে দিন

কাজে ঢোকার দিনেই বলে দেওয়া সবচেয়ে ভালো — কী কী তুমি করবে, কী কী আমি করব। পরে কমাতে গেলে সেটা শাস্তির মতো দেখায়, যদিও উদ্দেশ্য তা নয়।

নিয়ম সবার জন্য হলে সেটা নিয়ম। একজনের জন্য হলে সেটা অভিযোগ।

কাজ ছাড়ার দিন

কেউ চলে গেলে তার হাত সরানোটা সেই দিনের কাজ, পরের সপ্তাহের নয়। এটা ভুলে যাওয়া খুব সহজ, কারণ কাজ ছাড়ার দিনে অন্য অনেক কিছু থাকে — শেষ বেতন, হিসাব বুঝে নেওয়া, বিদায়।

একটা ছোট তালিকা রাখুন যেটা প্রত্যেকবার একইরকম হয়। তালিকা থাকলে ব্যস্ত দিনেও কাজটা বাদ পড়ে না।

সাধারণ প্রশ্ন

কর্মচারীকে সব দেখতে না দিলে সে কি অপমানিত বোধ করবে?

নিয়মটা যদি সবার জন্য এক হয় তাহলে করে না। যেটা খারাপ লাগে সেটা হল একজনকে দেওয়া আর আরেকজনকে না দেওয়া, বা হঠাৎ কারো হাত কমিয়ে দেওয়া। শুরু থেকে যদি বলা থাকে যে বিল সবাই করবে আর লাভের হিসাব মালিক দেখবেন, তাহলে সেটা দোকানের নিয়ম, কারো সম্পর্কে মন্তব্য নয়।

একজনকেই সব দিয়ে দিলে সুবিধা হয় না?

কাজ চলার সময় হয়, সমস্যার সময় হয় না। যেদিন হিসাবে ফারাক দেখা যায়, সেদিন যদি পাঁচজনের সবার সব কিছুতে হাত থাকে, তাহলে কী হয়েছে সেটা বার করা যায় না। ভাগ করা থাকলে প্রশ্নটা ছোট হয়ে আসে, আর সন্দেহও কারো উপর পড়ে না।

কেউ কাজ ছেড়ে দিলে কী করব?

সেদিনই তার হাত সরিয়ে দিন। এটা তার সম্পর্কে খারাপ ধারণা নয় — যতক্ষণ কারো হাত খোলা থাকে ততক্ষণ যা কিছু হয় তার দায় অস্পষ্ট থাকে, আর সেটা তার জন্যও ভালো নয়। শেষ দিনের কাজের তালিকায় এটা রাখুন।

খাতা অ্যাপ বিনামূল্যে

বিলিং, ধারের খাতা, স্টক আর রিপোর্ট — সবই আপনার ফোনে। কার্ড লাগে না, বাতিল করার কিছু নেই।

কী কী পাবেন দেখুন

কর্মচারীদোকাননিরাপত্তা

এরপর পড়ুন

সব লেখা