একজন কর্মচারী রাখার পর প্রথম যে প্রশ্নটা আসে সেটা হল — সে কী কী করতে পারবে। বেশিরভাগ দোকানে এই প্রশ্নের উত্তর দেওয়া হয় না, শুধু ফোনটা দিয়ে দেওয়া হয়।
সমস্যাটা তখন হয় না, পরে হয়। ছ মাস পরে যখন হিসাবে গণ্ডগোল দেখা যায়, তখন পাঁচজনের কেউই আলাদা করে দায়ী নয়, কারণ সবাই সব কিছু করতে পারত।
সহজ ভাগ
বেশিরভাগ ছোট দোকানের জন্য দুটো স্তরই যথেষ্ট।
| কাজ | কর্মচারী | মালিক |
|---|---|---|
| বিল করা | হ্যাঁ | হ্যাঁ |
| খদ্দেরের ধার লেখা | হ্যাঁ | হ্যাঁ |
| মালের কেনা দাম দেখা | না | হ্যাঁ |
| দাম বদলানো | না | হ্যাঁ |
| পুরনো বিল মুছে দেওয়া | না | হ্যাঁ |
| মাসের হিসাব দেখা | না | হ্যাঁ |
এই তালিকায় সবচেয়ে জরুরি লাইনটা হল কেনা দাম। কেনা দাম জানা মানে আপনার লাভ জানা, আর সেটা দোকানের সবচেয়ে ব্যক্তিগত তথ্য — শুধু চুরির কারণে নয়, কথা ছড়ানোর কারণেও।
নিয়ম আগে বলে দিন
কাজে ঢোকার দিনেই বলে দেওয়া সবচেয়ে ভালো — কী কী তুমি করবে, কী কী আমি করব। পরে কমাতে গেলে সেটা শাস্তির মতো দেখায়, যদিও উদ্দেশ্য তা নয়।
নিয়ম সবার জন্য হলে সেটা নিয়ম। একজনের জন্য হলে সেটা অভিযোগ।
কাজ ছাড়ার দিন
কেউ চলে গেলে তার হাত সরানোটা সেই দিনের কাজ, পরের সপ্তাহের নয়। এটা ভুলে যাওয়া খুব সহজ, কারণ কাজ ছাড়ার দিনে অন্য অনেক কিছু থাকে — শেষ বেতন, হিসাব বুঝে নেওয়া, বিদায়।
একটা ছোট তালিকা রাখুন যেটা প্রত্যেকবার একইরকম হয়। তালিকা থাকলে ব্যস্ত দিনেও কাজটা বাদ পড়ে না।