Skip to content
Khataby Lacspace
স্টক ও টাকা

মাল ফুরোনোর আগেই আনানোর নিয়ম

যেদিন তাক খালি হয় সেদিন অর্ডার দিলে দেরি হয়ে গেছে। প্রতিটা মালের একটা সীমা থাকা দরকার, যেটা ছুঁলেই অর্ডার যায়।

6 মিনিটের পড়া

ফুরোনোর আগে আনানফুরোনোর আগে আনানমজুতেআনানোর সীমাএখনই আনান

সংক্ষেপে

  • খালি হওয়ার দিন নয়, একটা সীমা ঠিক করুন — সেখানে পৌঁছলেই অর্ডার।
  • সীমাটা নির্ভর করে দুটো জিনিসের উপর: দিনে কত বিক্রি হয়, আর মাল আসতে কদিন লাগে।
  • যে মালগুলো সবচেয়ে বেশি চলে, শুধু সেগুলোর জন্য সীমা ঠিক করলেই কাজের বেশিরভাগটা হয়ে যায়।
  • তাক খালি থাকা মানে শুধু একটা বিক্রি হারানো নয় — খদ্দের অন্য দোকান চিনে ফেলে।

একটা মাল ফুরিয়ে গেলে যা হয় তা সবাই জানে — খদ্দের ফিরে যায়। যা কম জানা, তা হল সে কোথায় যায়। সে পাশের দোকানে যায়, আর সেখানে গিয়ে দেখে যে জায়গাটা মন্দ নয়।

একটা বিক্রি হারানো ছোট ক্ষতি। একজন নিয়মিত খদ্দেরকে অন্য দোকান চিনিয়ে দেওয়া তার চেয়ে অনেক বড়।

রেখাটাই সিদ্ধান্ত নেয়। খালি তাক দেখে সিদ্ধান্ত নিলে তখন আর সময় নেই।স্টক ধাপে ধাপে কমছে, আর একটা রেখা পেরোলেই অর্ডার দেওয়ার সময়।ফুরোনোর আগে আনানমজুতেআনানোর সীমাএখনই আনান
রেখাটাই সিদ্ধান্ত নেয়। খালি তাক দেখে সিদ্ধান্ত নিলে তখন আর সময় নেই।

সীমা মানে কী

সীমা হল সেই পরিমাণ, যেখানে পৌঁছলে অর্ডার দিলে মাল শেষ হওয়ার আগেই নতুন মাল ঢুকে যায়। এটা শূন্য নয়, আর হওয়াও উচিত নয় — শূন্য মানে ইতিমধ্যেই দেরি।

  1. 1

    দিনে কত চলে দেখুন

    গত মাসের বিক্রি দেখে ভাগ করুন। আন্দাজে নয় — আন্দাজ প্রায় সবসময় কম হয়।

  2. 2

    মাল আসতে কদিন লাগে লিখুন

    অর্ডার দেওয়ার দিন থেকে মাল হাতে আসার দিন। সরবরাহকারী যা বলেন তা নয়, বাস্তবে যা লাগে তা।

  3. 3

    গুণ করুন, তারপর কিছু যোগ করুন

    দিনের বিক্রি × দিন সংখ্যা। তার সঙ্গে দুই-তিন দিনের বাড়তি, কারণ দেরি হয়।

  4. 4

    সংখ্যাটা লিখে রাখুন

    মনে রাখার জিনিস নয়। অ্যাপে মালের সঙ্গে লিখে রাখুন, যাতে যে কেউ দেখলেই বোঝে।

কোন মালগুলো আগে

সব মালের সমান গুরুত্ব নেই। যে মাল রোজ চলে আর যেটা না পেলে খদ্দের অন্য দোকানে যায়, সেটা আগে। যে মাল মাসে দুবার চলে, সেটা ফুরোলে কেউ চলে যায় না।

মালের ধরনসীমা দরকার?কেন
রোজ চলে, সবাই কেনেঅবশ্যইনা থাকলে খদ্দের হারায়
রোজ চলে, দাম বেশিঅবশ্যইটাকাও আটকায়, হারালেও ক্ষতি
মাঝে মাঝে চলেদরকার নেইচোখের আন্দাজই যথেষ্ট
নষ্ট হয়ে যায়সীমা কম রাখুনবেশি রাখলে ফেলে দিতে হয়

সরবরাহকারী দেরি করলে

সীমা ঠিক করার সময় সরবরাহকারীর প্রতিশ্রুতি নয়, তাঁর অভ্যাস ধরুন। যিনি বলেন দুদিনে দেবেন কিন্তু চার দিন লাগান, তাঁর জন্য চার দিনের হিসাব করুন। এটা অভিযোগ নয়, হিসাব।

যদি একজন সরবরাহকারী নিয়মিত দেরি করেন এবং তার জন্য আপনাকে অনেক বেশি মাল ধরে রাখতে হয়, তাহলে সেই দেরির একটা দাম আছে — সেটা আপনার আটকে থাকা টাকা। সেটা জানা থাকলে দ্বিতীয় একজন সরবরাহকারী খোঁজার সিদ্ধান্তটা সহজ হয়।

সাধারণ প্রশ্ন

সীমাটা কত হবে হিসাব করব কীভাবে?

দিনে গড়ে কত বিক্রি হয়, সেটাকে মাল আসতে যত দিন লাগে তা দিয়ে গুণ করুন, আর তার সঙ্গে কয়েক দিনের বাড়তি রাখুন। দিনে দশ প্যাকেট চললে আর মাল আসতে তিন দিন লাগলে, তিরিশ প্যাকেটে দাঁড়ালে অর্ডার দেওয়া উচিত — আর নিরাপত্তার জন্য চল্লিশ রাখা ভালো, কারণ সরবরাহকারী সবসময় সময়মতো আসেন না।

সব মালের জন্য এটা করা কি সম্ভব?

সম্ভব নয়, আর দরকারও নেই। বেশিরভাগ দোকানে অল্প কিছু মাল থেকেই বেশিরভাগ বিক্রি আসে। সেই বিশ-তিরিশটা মালের জন্য সীমা ঠিক করুন। বাকিগুলোর জন্য চোখের আন্দাজই যথেষ্ট, কারণ সেগুলো ফুরোলে ক্ষতিও কম।

বেশি মাল কিনে রাখলে সমস্যা কী?

মালে টাকা আটকে থাকে। এক লাখ টাকার মাল তাকে বসে থাকা মানে এক লাখ টাকা আপনার হাতে নেই — ধার শোধ করতে পারছেন না, নতুন কিছু আনতে পারছেন না। তার উপর যে মাল নষ্ট হয় বা পুরনো হয়ে যায়, তার ক্ষতি আলাদা। সীমার পুরো ব্যাপারটাই এই দুটোর মাঝামাঝি জায়গা খোঁজা।

খাতা অ্যাপ বিনামূল্যে

বিলিং, ধারের খাতা, স্টক আর রিপোর্ট — সবই আপনার ফোনে। কার্ড লাগে না, বাতিল করার কিছু নেই।

কী কী পাবেন দেখুন

স্টকঅর্ডারসরবরাহদোকান

এরপর পড়ুন

সব লেখা